বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01711102727 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01711102727, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
৮৯২ কোটি টাকা ব্যায়ে ছাতক সিমেন্ট কারখানা আধুনিকায়ন হচ্ছে

৮৯২ কোটি টাকা ব্যায়ে ছাতক সিমেন্ট কারখানা আধুনিকায়ন হচ্ছে

উপমহাদেশের প্রাচীনতম শিল্প প্রতিষ্ঠান সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক সিমেন্ট কারখানাকে অত্যাধুনিকভাবে সাজানো হচ্ছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ৮৯২ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।
জাতীয় সংসদের অনুমিত হিসাব সংক্রান্ত কমিটির সভাপতি, সাবেক হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ আজ সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ছাতক সিমেন্ট কারখানায় নির্মানাধীণ নতুন ড্রাই প্রসেস সিমেন্ট প্রকল্পের অগ্রগতি দেখতে আজ তিনি সিমেন্ট কারখানা পরিদর্শনে যান । সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক এসময় তার সঙ্গে ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে কারখানার গেষ্ট হাউসে উপস্থিত সাংবাদিকদের তারা ব্রিফিং করেন।

উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ জানান সাশ্রয়ী ও লাভজনক শিল্প প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারী অর্থায়নে ছাতক সিমেন্ট কারখানাকে এখন ড্রাই প্রসেস সিমেন্ট কারখানায় প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।
নির্মানাধীন ওই সিমেন্ট কারখানাটি দৈনিক ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন ক্লিংকার ও ৫০০ মেট্রিক টন সিমেন্ট উৎপাদনে সক্ষম হবে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে নতুন প্রকল্পে উৎপাদন শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ বলেন, বর্তমান শিল্প বান্ধব সরকার দেশে নতুন-নতুন শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বিদেশী বিনিয়োগকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে শিল্প-কারখানা গড়ার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করছে।
ব্রিফিংকালে মুহিবুর রহমান মানিক এমপি বলেন, বিগত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় রাষ্ট্রায়াত্ব শিল্প প্রতিষ্ঠান ছাতকস্থ সিলেট পাল্প এন্ড পেপার মিল পানির দামে প্রাইভেট খাতে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

একই সময়ে ঐতিহ্যবাহী ও দেশের প্রাচীনতম ছাতক সিমেন্ট কারখানাটিও বিক্রির চেষ্টা চলছিল। এখানকার সচেতন মানুষকে সাথে নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে এ কারখানাটি বিক্রির হাত থেকে রক্ষা করা হয়। বর্তমান শিল্প বান্ধব সরকার ভুর্তুকি দিয়ে একাধিকবার বিএমআরই’র মাধ্যমে এ কারখানাটিকে সচল রেখেছে।

সারা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এ শিল্প প্রতিষ্ঠানকে আধুনিকায়ন ও লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষে কারখানার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের সাথে আলোচনার পর বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিল্প মন্ত্রনালয়ের নজরে আসলে ওয়েট প্রসেস থেকে কারখানাটিকে ড্রাই প্রসেস প্রকল্পে রূপান্তর করতে ২০১৬ সালে ৮ মার্চ একনেকে আধুনিকায়ন এ প্রকল্পের অনুমদিত হয়।


এরই ধারাবাহিকতায় নতুন ড্রাই প্রসেস প্রকল্প বাস্তবায়নে ৮৯২ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেয় সরকার। চীনের একটি বিখ্যাত কারিগরী প্রতিষ্ঠান ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নতুন প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে,তবে বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারনে প্রকল্পটির কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে কিছুটা বিলম্বিত হবে জানা যায়।

নতুন এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নতুন-নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশপাশি স্থানীয় জনগণ ব্যবসায়ীকভাবেও লাভবান হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com