জাতীয় ডেস্ক | বাংলাদেশ বুলেটিন২৪ | ৩০ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৩:৪১ মিনিট
সরকারি বাসা বা ফ্ল্যাটের কোনো অংশ কিংবা সম্পূর্ণ বাসা অন্যের কাছে সাবলেট বা ভাড়া দেওয়া যাবে না। যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী তাঁদের বরাদ্দ পাওয়া বাসায় ভাড়াটে রেখেছেন, তাঁদের আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটে সরানোর নির্দেশ দিয়েছে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর।
নির্ধারিত সময়ের পর কোনো সরকারি বাসা বা ফ্ল্যাটে সাবলেটগ্রহীতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাসার বরাদ্দ বাতিল করা হবে। পাশাপাশি বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর এ-সংক্রান্ত জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে। পরিদপ্তরের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম খান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিদর্শনে মিলেছে সাবলেটের প্রমাণ
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিদর্শন দলের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কিছু বরাদ্দপ্রাপক তাঁদের নামে বরাদ্দ করা সরকারি বাসা বা ফ্ল্যাটের একাধিক কক্ষ কিংবা সম্পূর্ণ বাসা অন্যের কাছে ভাড়া দিয়েছেন।
এ ধরনের কার্যক্রম বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২-এর পরিপন্থী বলে জানিয়েছে পরিদপ্তর।
নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবরের পর সরকারি বাসায় ভাড়াটে পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপকের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অফিসপ্রধান এবং নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে বিভাগীয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হবে।
সরকারি আবাসন মূলত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু কিছু বরাদ্দপ্রাপক সেই সুবিধা ব্যবহার করে অন্যের কাছে বাসা ভাড়া দিয়ে আর্থিক সুবিধা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এতে সরকারি আবাসন ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরা আবাসন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
নির্দেশনা বাস্তবায়নে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলী এবং সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের ঢাকা ও চট্টগ্রামের উপপরিচালকদেরও অবহিত করা হয়েছে।
Leave a Reply