1. tanvirinternational2727@gmail.com : NewsDesk :
  2. hrbangladeshbulletin@gmail.com : News Room : News Room
  3. 25.sanowar@gmail.com : Sanowar Hossain : Sanowar Hossain
বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আগামীকাল ১ ঘণ্টা ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা বিএসসিপিএলসির তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী কর্মসূচি নিয়ে ২২ এপ্রিল মাঠে নামছে ডিএনসিসি দেশে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফ্লু ভাইরাসের মৌসুম: গবেষণা ঝালকাঠির গাবখানে ট্রাক-প্রাইভেটকার-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১১ বর্তমান সরকারের আমলে জ্যামিতিক হারে গুম ও বিচার বহির্ভূত হত্যা বেড়েছে-রিজভী ৮ হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল করা হয়েছে-মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী সাভারের সেই ফার্মেসি মালিক আব্দুল মান্নানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ আবারও মিয়ানমারের ৪৬ সীমান্তরক্ষীর বাংলাদেশে আশ্রয় প্রায় ৫ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ফেনসিডিলসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক!

নির্বাচনের যে স্ট্যান্ডার্ড তৈরি হয়েছে, তা নিচে নামতে দিতে চাই না-ইসি রাশেদা সুলতানা

  • সময় : মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১১

স্টাফ রিপোর্টার-

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে যে স্ট্যান্ডার্ড তৈরি হয়েছে তার নিচে আমরা আর নামতে দিতে চাই না, বরং আরও উপরে উঠতে চাই। আসছে উপজেলা নির্বাচনে ভোটাররা আসবেন। তাদের ভোটাধিকার নিশ্চিতভাবে প্রয়োগ করবেন এবং বাইরে গিয়ে যাতে তারা বলতে পারেন, আমার ভোটটা আমি দিয়েছি। এই ভোটের অধিকার নিশ্চিত করাটাই নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। সেই পরিবেশ তৈরি করাও নির্বাচন কমিশনেরই দায়িত্ব।’

আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রাজশাহীতে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচন-২০২৪ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসি রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘আমাদের জাতীয় ইলেকশন একটা পর্যায়ে চলে গেছে।মানে ভোটারের ভোটাধিকার প্রয়োগ করা যে ক্ষেত্রটা সেটা চলে গেছে। আমরা চাই আমাদের জাতীয় ইলেকশনে যে একটা পর্যায়ে তৈরি হয়েছে, একটা স্ট্যান্ডার্ড তৈরি হয়েছে। আমরা সেটা থেকে কোনোক্রমেই নিচে নামতে চাই না। সেটা থেকে আরও উপরে উঠে যেতে চাই। আমাদের দেশে যাতে নির্বাচনের একটা পরিবেশ সবসময় তৈরি হয় এবং বিরাজ করে সেটা আমরা কমিশন চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নির্বাচন কমিশনে আসার পরে আমরা মনে করেছি, যতগুলো ভোট দেশে হবে অবাধ সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন করব। যাতে করে আমাদের ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। তাদের ইচ্ছামত প্রার্থীকে তারা যাতে ভোট দিতে পারেন।’

‘নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এ কথা আমরা সবাই বলেছি’- উল্লেখ করে এই কমিশনার বলেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি নির্বাচন কমিশনের পক্ষে একাই করা সম্ভব নয়। জেলায় জেলায় যে সকল নির্বাচন কমিশনের অফিস আছে তাদের কর্মকর্তা নিয়েও এটা করা সম্ভব না। কাজ করতে হবে সব বাহিনীকে নিয়ে। সব বাহিনীকে একসঙ্গে একধারায় নিয়ে যাওয়াটাই এখন নির্বাচন কমিশনের প্রধান কাজ। যাতে কাজগুলো তারা সুষ্ঠুভাবে করতে পারেন।’

‘সমন্বয় ছাড়া কখনো এ রকম মহাযোগ্য করা সম্ভব নয়। আমরা জানি, জাতীয় ইলেকশন সারা বাংলাদেশে একসঙ্গে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাচন একসঙ্গে না হলেও ধাপে ধাপে হবে কিন্তু সেটিও গুরুত্বপূর্ণ কাজ। নির্বাচন দেশের ও দেশ গঠনের জন্য একটি অসম্ভব জরুরি বিষয়’, যোগ করেন রাশেদা সুলতানা।
জামানতের ক্ষেত্রেও কিছুটা পরিবর্তন এসেছে জানিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘চেয়ারম্যান প্রার্থীর জন্য জামানত দিতে হবে এক লাখ টাকা। অনেকেরই প্রশ্ন এটা বৃদ্ধি কেন করা হলো? এটা অনেক আগের মতো ২০-৩০ বছর আগের। ২০-৩০ বছর আগে যেটা প্রচলন ছিল সেটা এখনো থাকবে এটা বাস্তবসম্মত না। আমরা কিন্তু এই বাস্তবতা মেনে জামানত বৃদ্ধি করেছি। আমরা আর একটু বিষয় সংশোধন করেছি। আগে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আড়াইশো জন ভোটারের স্বাক্ষর লাগতো। আমরা এটা সংশোধন করেছি। কারণ এটা সাংবিধান সাংঘর্ষিক।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটা ভোটার আগে থেকেই একজনের পক্ষে হয়ে যাবে, মানুষ জেনে যাবে তিনি তার পক্ষের লোক। এটা ভোটারের গোপনীয়তা থাকে না তাই আমরা এটা তুলে ফেলেছি। চেক ক্রমে আমরা আস্তে আস্তে সব নির্বাচনে বিধি-বিধান গুলো তুলে ফেলব।’

ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘ইভিএম দিয়ে সব নির্বাচন করতে পারলে আমরা খুশি হতাম। তবে আমাদের ইভিএম-এর এত সক্ষমতা নেই। এখন যে ভালো ইভিএমগুলো আছে সেগুলো দিয়ে আমরা ইলেকশন গ্রহণ কাজে লাগাতে চেয়েছি। সে ক্ষেত্রে প্রতি বিভাগের ক্ষেত্রে দুটি করে জেলায় ইভিএম ইলেকশন পাচ্ছি। রাজশাহী বিভাগের মধ্যে আমরা সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় ইভিএমএ নির্বাচন করব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেখানে ইভিএমে নির্বাচন হবে, সেখানে সব পর্যায়ে ইভিএম হবে। আর যেগুলো ব্যালট হবে সেখানে সব পর্যায়ে ব্যালাটে হবে।’

রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি ফয়সাল মাহমুদ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হেমায়েতুল ইসলাম ও রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগের সব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য খবর
©বাংলাদেশবুলেটিন২৪