বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
‘অনলাইন মনোনয়নপত্র জমায় বিধিভঙ্গ ও অনাচার কমে আসবে’

‘অনলাইন মনোনয়নপত্র জমায় বিধিভঙ্গ ও অনাচার কমে আসবে’

রবিবার (১২ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে রিটার্নিং অফিসারে কাছে প্রচলিত পদ্ধতিতে সরাসরি মনোনয়নপত্র জমার পাশাপাশি ‘অনলাইনে মনোনয়ন জমা’ ও ‘স্মার্ট নির্বাচনি ব্যবস্থাপনা’ অ্যাপ উদ্বোধন করেন সিইসি।
রবিবার (১২ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে রিটার্নিং অফিসারে কাছে প্রচলিত পদ্ধতিতে সরাসরি মনোনয়নপত্র জমার পাশাপাশি ‘অনলাইনে মনোনয়ন জমা’ ও ‘স্মার্ট নির্বাচনি ব্যবস্থাপনা’ অ্যাপ উদ্বোধন করেন সিইসি।

নিজস্ব প্রতিবেদক –

অনলাইন সাবমিশনের বিষয়টিতে গুরুত্বপূর্ণ আখ্যায়িত করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে যে শো-ডাউন, এটা আমাদের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। এটা করতে গিয়ে আচরণবিধি ভঙ্গ হতে পারে। অনেক সময় সংঘাতও হতে পারে। এটাকে সহজ করা হয়েছে।’

রবিবার (১২ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে রিটার্নিং অফিসারে কাছে প্রচলিত পদ্ধতিতে সরাসরি মনোনয়নপত্র জমার পাশাপাশি ‘অনলাইনে মনোনয়ন জমা’ ও ‘স্মার্ট নির্বাচনি ব্যবস্থাপনা’ অ্যাপ উদ্বোধন করেন সিইসি।

অনুষ্ঠানে নিবন্ধিত বিভিন্ন দলের উপস্থিত প্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি জানান, অনলাইন মনোনয়নপত্র জমা সব প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের জন্য। আর স্মার্ট ইলেকশন অ্যাপ সাধারণ মানুষের জন্য। এটা ব্যবহারে ব্যাপক প্রচারের পাশাপাশি সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

এ সময় সিইসি বলেন, ‘প্রযুক্তির যে পরিবর্তন ৫০ থেকে ৬০ বছরে যা হয়েছে; এটা অবিস্মরণীয়। প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে মেলাতে যদি না পারি, তবে পিছিয়ে যাবো। … অনলাইনে সাবমিশন সিস্টেম ব্যবহার খুবই সহজ।পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদেরও এগিয়ে যেতে হবে। এটা অনেনক আধুনিক হবে।’

অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মনোনয়ন সাবমিশন করতে গিয়ে শো-ডাউন করা হয়। এই শো-ডাউন কালচার বা সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। যদিও সংস্কৃতি কিন্তু এখানে সংকটও হয়ে থাকে। এই সংকটে নির্বাচনের আচরণ বিধিমালা ভঙ্গ হতে পারে। অনেক সময় সংঘাতও হতে পারে। মনোনয়ন সাবমিশন করতে গিয়ে অনেকে বাধাপ্রাপ্তও হন, সাব মিশন করার পর চাপ প্রয়োগ করা হয় নমিনেশন প্রত্যাহারের। এই যে অনাচারগুলো হয়, কিন্তু অনলাইন সিস্টেমের অনাচারগুলো কমে আসতে পারে। অনলাইন সাবমিশনের ফলে পুরো নির্বাচনি ব্যবস্থাপনা আরও সহজ ও পরিশুদ্ধ হতে পারে।’

অনলাইন ভোটিং প্রসঙ্গে সিইসি জানান, এখনও ঘরে বসে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা পৃথিবীর কোথাও চালু হয়নি। তবে বর্তমানে ভারত ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইনে ভোটিং চেষ্টা করছে। তারা সফল হলে আমরাও প্রবর্তন করতে পারবো। তবে কবে চালু হবে, সেই নিশ্চিয়তা এখন দিতে পারছি না।

নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান জানান, অতীতে দেখা যেতো যে, প্রথমদিনেই মনোনয়ন সাবমিশন করতে আসে। তখন কিন্তু সম্মানীত প্রার্থীরা শত শত মোটরসাইকেল নিয়ে আসেন। এতে তাদের শক্তি প্রদর্শিত হতো। তারা প্রথম দিনেই নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করলেন।

তিনি বলেন, ‘এই অনলাইন এবং অ্যাপ দুটি বিশেষ পদ্ধতি, যার ফলে তাদের আচরণবিধি ভঙ্গ করতে দিবে না। এছাড়া, আমাদের সমাজে দেখা যায়, অনেকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে বাধা দেওয়া হয় বা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে বল প্রয়োগ করা হয়। এই অ্যাপের ফলে আর কেউ এরকম সুযোগ পাবে না।’

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ও ভোটারদের অনলাইন পদ্ধতি ও অ্যাপ ব্যবহারের জন্য আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, স্মার্ট ইলেকশন অ্যাপ চালুর মাধ্যমে প্রযুক্তির ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনও নির্বাচনি ব্যবস্থাপনায় স্মার্ট বাংলাদেশের যাত্রায় যুক্ত হলো।

নির্বাচন কমিশনার  রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘আমরা জানি এবং মানি, আমরা চাই বা না চাই, আমাদের প্রত্যেকের জীবন এখন প্রযুক্তি নির্ভরশীল। প্রযুক্তিকে আমরা অস্বীকার করতে পারি না। আমরা যখন এখানে কমিশনার হিসেবে যোগ দেই তারপর থেকে যতগুলো ইলেকশন হয়েছে, প্রায় সবগুলোতেই মনোনয়ন সাবমিশনের দিন থেকে আচরণবিধি ভঙ্গটা শুরু হয়ে যায়।’

 “মনোনয়ন সাবমিশন করতে এসে বিভিন্ন শোডাউন করে। কিন্তু আইনে বলা আছে, মনোনয়ন জমার সময় শোডাউন করা যাবে না। আমরা বিশ্বাস করি এই অ্যাপের ফলে ভোট অনেক স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক হবে এবং সাধারণ জনগণ এটাকে খুব ভালোভাবে নিবে। ”

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর জানান, গত কমিশন অনলাইনে মনোনয়ন দাখিলের বিষয়টি আইনে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। কিন্তু সেটা খুব একটা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। সেটা আজকে বাস্তবায়ন হলো, সেজন্য  খুব ভালো লাগছে।

মো. আনিছুর রহমান জানান, আগে সশরীরে মনোনয়ন জমা দিতে এসে অনেক লোকসমাগম হতো এবং অনাকাঙিক্ষত ঘটনার শিকার হতে হতো। এসব কারণেই আমরা একটা অনলাইন সিস্টেম চালু করা হয়েছে। নতুন অ্যাপ অধিকতর জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতার টুলস হিসেবে ব্যবহার হবে। এই কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সবকিছু স্বচ্ছভাবে করে আসছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com