সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ সামাজিক সুরক্ষায় আসছে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী আইফোন ব্যবহারকারীদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে অ্যাপল লং মার্চ স্থগিতে জামায়াতকে শেহবাজের অনুরোধ আশুলিয়ায় কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৭ রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ন্যাম ভবনে এমপির স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ছে বার্সা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান
রাজবাড়ীর পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

রাজবাড়ীর পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

 রাজবাড়ী সংবাদদাতা

রাজবাড়ীর পাংশায় রুনা খাতুন (৩০) নামের প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ আগস্ট) বেলা ১১টায় জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার জি.এম. আবুল কালাম আজাদ।

এর আগে রোববার (২০ আগস্ট) ভোরে পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের মুছিদাহ খামারডাঙ্গী গ্রামের কাতার প্রবাসী আনিছুর রহমানের বাড়ির উঠান থেকে তার স্ত্রী রুনার পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রুনার বড় ভাই মো. রায়হান বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- পাংশা উপজেলার খামারডাঙ্গী মুচিদাহ গ্রামের খলিল শেখের ছেলে মিলন শেখ (২৭), একই গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে তেছেম সরদার (১৬) ও কাজেম জোয়াদ্দারের ছেলে রিয়াজ জোয়াদ্দর (১৫)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, কাতার প্রবাসী আনিছুর রহমানের স্ত্রী রুনা খাতুন দুই সন্তান নিয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকতেন। শনিবার (১৯ আগস্ট) দিবাগত রাতে সন্তানদের নিয়ে ঘুমিয়েছিলেন রুনা। রাত দেড়টার দিকে দেড় বছর বয়সী ছোট ভাইয়ের কান্নায় রুনার ১০ বছর বয়সী মেয়ে উম্মে সিনহার ঘুম ভাঙলে সে দেখে তার মা বিছানায় নেই। এরপর সে বারান্দায় এসে দেখে প্রতিবেশী মিলন শেখ সেখানে দাঁড়িয়ে আছে; আর বাড়ির উঠানে তার মা পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে আছে। সেসময় তার চিৎকারে মিলনসহ তার সঙ্গে থাকা আরও দুইজন পালিয়ে যায়। মায়ের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীদের ডেকে আনে উম্মে সিনহা। প্রতিবেশীরা এসে দেখে তার মা মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। পরে পুলিশকে খবর দিলে রোববার সকালে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। একইসঙ্গে হত্যায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। রুনা বেগমের ছিনতাই হওয়া মোবাইল ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করা হয়।রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার জি.এম. আবুল কালাম আজাদ জানান, হত্যাকাণ্ডের ১২ ঘণ্টার মধ্যে হত্যার রহস্য উদঘাটনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। মূলত রুনা খাতুনের বিকাশে থাকা অর্থ ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. রেজাউল করিম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) সুমন কুমার সাহা, ডিআইও-১ বিপ্লব দত্ত চৌধুরী, পাংশা মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ইফতেখারুল আলম প্রধান।

বা বু ম / অ জি

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।



©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com