সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
সালমানের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ সামাজিক সুরক্ষায় আসছে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী আইফোন ব্যবহারকারীদের ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে অ্যাপল লং মার্চ স্থগিতে জামায়াতকে শেহবাজের অনুরোধ আশুলিয়ায় কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৭ রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ন্যাম ভবনে এমপির স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ছে বার্সা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান

মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের হাতে বাবার মৃত্যু

ফরিদপুর সংবাদদাতা

ফরিদপুরের সদরপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের কিল-ঘুষিতে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার বাবা ওহাব মোল্লা (৬৭)। এ ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে জাহিদ মোল্লাকে (২৩) আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (১৩ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে ফরিদপুরের সদরপুরের ঢেউখালী ইউনিয়নের চর ডোবাইল গ্রামে।কিল-ঘুষিতে আহত হয়ে মারা যাওয়া ওহাব মোল্লা একজন কৃষক। তিনি সাত মেয়ে ও এক ছেলের বাবা। ছেলেটি গত চার বছর আগে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। এরপর থেকে তাকে বাড়িতে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হত। তিনি অবিবাহিত ।

ওই এলাকার বাসিন্দারা জানায়, রোববার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে বাবা ছেলের শিকল খুলে দেন। বিকেল ৩টার দিকে শিকল থেকে মুক্ত হয়েই জাহিদ মোল্লা বাবার নাকে, মুখে ও মাথায় কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন। এ ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হন বাবা বৃদ্ধ ওহাব মোল্লা।

এলাকাবাসী আহতাবস্থায় ওহাব মোল্লাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনে ভর্তি করেন। এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৫টার দিকে মারা যান ওয়াব মোল্লা। 

ঢেউখালী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান বলেন, জাহিদ মোল্লা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তাকে বেঁধে রাখা হতো। আজ ওহাব মোল্লা ছেলের শিকলটি খুলে দেন। এর পরই জাহিদ বাবাকে কিল-ঘুষি মারা শুরু করেন। পরে পরিবারের অন্য সদস্যরা এবং এলাকাবাসী ওহাব মোল্লাকে উদ্ধার করে।

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুন আল রশিদ জানান, এ ঘটনার পর জাহিদ মোল্লাকে সদরপুর থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। 

তিনি বলেন, মৃতদেহটি সদরপুর থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরিবারের আপত্তি না থাকলে মৃতদেহটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

বা বু ম / অ জি

সংবাদটি শেয়ার করুন

রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।



©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com