শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ডিআইজি পদে পুলিশের ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি
আমাদের দেশে পর্যবেক্ষক এলো কি এলো না, এতে কিছু যায় আসে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আমাদের দেশে পর্যবেক্ষক এলো কি এলো না, এতে কিছু যায় আসে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষক আসতে চাইলে স্বাগত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে পর্যবেক্ষক এলে ভালো, কিন্তু না এলে আমরা পরোয়া করি না। 

শনিবার (৮ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘ডিক্যাব টক’ অনুষ্ঠানে অংশ নি‌য়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

নির্বাচনে পর্যবেক্ষক না এলেও সেটি দেশের ক্ষতির কারণ হবে না মন্তব্য করে মোমেন বলেন, দুনিয়ার বড় বড় দেশে নির্বাচন দেখার জন্য কোনো পর্যবেক্ষক যায় না। আমাদের দেশে পর্যবেক্ষক এলো কি এলো না, এতে কিছু যায় আসে? বিদেশি পর্যবেক্ষক যদি আসতে চায়, তবে আমাদের আপত্তি নেই। নির্বাচনে পর্যবেক্ষক এলে ভালো, কিন্তু না এলে আমরা পরোয়া করি না।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে একটি সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে বিদেশিদের এনে এনে নির্বাচন দেখানোর। আমার মতে, এটি ভবিষ্যতে বন্ধ করা দরকার। আমাদের দেশে অনেক বাড়তি কাজ হচ্ছে এবং এটি বন্ধ করা উচিত।

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা এসব নিয়ে চিন্তিত তারা হলেন— কিছু সরকারি কর্মচারী, কিছু ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের কিছু নেতা ও এনজিও নেতা। তারা সেখানে যান এবং টাকা নিয়ে আসেন। তাদের ছেলেমেয়েরা সেখানে পড়ে এবং সেখানে বাড়ি করেছে। ওরা একটু দুশ্চিন্তায় আছে।

আব্দুল মোমেন বলেন, মার্কিন ভিসানীতি নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। ভিসানীতি তারা প্রণয়ন করেছে এবং সেটি তাদের মাথাব্যথা। আমাদের কর্মী, পোলিং এজেন্ট তাদের কোনো উদ্বেগ নেই আমেরিকা যাওয়ার জন্য এবং তারা কখনো আবেদনও করে না।

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিক্যাব) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে সংগঠনের সভাপতি রেজাউল করিম লোটাস ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস বক্তব্য দেন।

বা বু ম / অ জি

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com