বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম খানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম খানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনের সামনে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট গুলিবিদ্ধ পুলিশ অফিসার, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সাক্ষী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (৭ জুন) এক শোক বার্তায় নুরুল ইসলাম খানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে বুধবার ভোরে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নুরুল ইসলাম খান। তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ৫০তম সাক্ষী।

নুরুল ইসলাম খানের ছেলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) নাহিদ খান জানান, তার বাবা বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন। বাদ আসর সিএমএইচ মসজিদে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম খান ১৯৩০ সালের ২ জানুয়ারি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার নয়নশ্রী ইউনিয়নে রাহুতহাটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৩ সালে তিনি সাব ইন্সপেক্টর হিসেবে পুলিশে বিভাগে যোগদান করেন। ১৯৮৬ সালে এসপি হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবনে নূরুল ইসলাম খানের পাঁচ ছেলে ও চার মেয়ে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবার পরিজনদের নৃশংসভাবে হত্যার পর আহত অবস্থায় ধানমন্ডি থানায় প্রথম বঙ্গবন্ধু হত্যার ডায়েরি করেন নুরুল ইসলাম খান। পরে ধানমন্ডি থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার অন্যতম সাক্ষী দেয়ার জন্য তার ওপর দুইবার আক্রমণ হয়। প্রথমবার আক্রমণে পুলিশের জিপে দুর্ঘটনা ঘটানো হয় সেখান থেকে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। কিন্তু পরবর্তী সময় ১৯৯৯ সালে সাক্ষ্য দিয়ে ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা গাজীপুরে তার ওপর আক্রামণ চালায় এবং ইট দিয়ে মাথা থেতলে দেয়। ২১ দিন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকার পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন।

তার লেখা বই মুক্তিযুদ্ধ এবং আমি এক যুগান্তকারী রচনা।

বা বু ম / এস আর

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com