শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী দুই শহীদ সাংবাদিকের ফলক কলকাতা প্রেস ক্লাবে উন্মোচন করলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী দুই শহীদ সাংবাদিকের ফলক কলকাতা প্রেস ক্লাবে উন্মোচন করলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

কমলকুমার ঘোষ,কলকাতাঃ

বাংলাদেশের  মুক্তিযুদ্ধের জীবন উৎসর্গকারি পশ্চিমবঙ্গের দু’জন শহীদ সাংবাদিক দীপক বন্দোপাধ্যায় ও সুরজিত ঘোষাল শহীদ স্মৃতি ফলকের স্থাপনা হয় প্রেসক্লাব কলকাতায়। শনিবার(৬ ফেব্রুযারি) স্মৃতিফলক উন্মোচন করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। প্রেসক্লাবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ীকমিটির সদস্য সাইমুন সারোযার কমল। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হাসান এবং প্রেসক্লাব কলকাতার সভাপতি স্নেহাশিস সুর ও  সচিব কিংশুক প্রামনিক।

ফলক উন্মোচন করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন ভারতের সহযোগিতা  ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। পাশাপাশিই প্রেসক্লাব কলকাতা এবং ভারত তথা কলকাতার সাংবাদিকদের অবদান ভোলার নয়।
এধরনে অনুষ্ঠান কলকাতাতেই হওয়া বাঞ্চনীয়।  কারণ কলকাতাতেই প্রথম মুজিব সরকার ঘোষনা হয়।

এবিষয়ে সাইমুন সারোযার কমল বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতে জনগনের সাথে সাংবাদিকরাও লড়াইতে নেমেছিলেন। এবং বাংলাদেশের ১ কোটি শরনার্থীদের অাশ্রয় এবং সহযোগিতা দিয়েছিলেন ভারত। ফলে ভারতের সহযোগিতা অামরা কখনও ভুলিনি। এরসাথে তিনি বলেন, ঠিক ভাবে তালিকাভুক্ত হয়নি তাহলে দেখা যেত অনেক অনেক সাংবাদিকের রক্তক্ষয় হয়েছে। অামি মনে করি তারা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা

প্রেসক্লাবের সভপতি বলেন, তৎকালীন সাংবাদিকদের শব্দ সৈনিক ছিলেন বলে জানান। তারা না থাকলে ভারত জানতে পারত না কি অস্থিরতার মধ্যদিয়ে দিন কাটিয়েছে সেদিনের বাংরাদেশ। তবে দুজন নয় সব মিলিয়ে ১৩ জন সাংবাদিক জীবনবিপন্ন ছিল। যা নিয়ে প্রেসক্লাব কলকাতা শতবার্ষিকীতে একটি পুস্তকও প্রকাশ করেছিলেন।

এদিন প্রেসক্লাবে একাধিক পুস্তক ও স্মরনীকা প্রকাশ করা হয়। দুই জীবন উৎসর্গোকারী সাংবাদিকদের তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারন করেন প্রেসক্লাবের বর্ষীয়ান সদস্যরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com