বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে সংকট, ফিফা সভাপতির দৌড়ে ভিক্টর মন্তাগ্লিয়ানি আলোচনায় রাশিয়াজুড়ে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, নিহত ৬ ইয়েমেন উপকূলে হামলায় ডুবল ভারতীয় পণ্যবাহী জাহাজ আলস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে এমএসসি অর্জন করলেন সোনিয়া আহমেদ ইশিকা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১০৭ জন রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস
“কৃষি বিল”-এর প্রতিবাদে দিল্লিতে কৃষকদের ট্র্যাক্টর মিছিলে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস৷ আহত বহু৷

“কৃষি বিল”-এর প্রতিবাদে দিল্লিতে কৃষকদের ট্র্যাক্টর মিছিলে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস৷ আহত বহু৷

কমলকুমার ঘোষ ৷ কলকাতা প্রতিনিধি

আজ ভারতের ৭২তম “প্রজাতন্ত্র দিবস”-এর সকাল থেকেই রাজধানী দিল্লি বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে৷ প্রতিবাদী কৃষকদের উপর চলেছে লাঠিচার্জ৷ ছোঁড়া হয়েছে কাঁদানে গ্যাসও৷ পুলিস ও কৃষকদের মধ্যে খন্ডযুদ্ধে আহত হয়েছেন দু’পক্ষেরই বেশ কয়েকজন৷
ভারতে প্রায় গত ২ মাস ধরে কৃষি আইন বিরোধী বিক্ষোভ চালাচ্ছেন হাজার হাজার কৃষক৷ আগেই তাঁরা ঘোষণা দিয়েছিলেন, ভারত সরকারের “কৃষি বিল”-এর প্রতিবাদে তাঁরা “প্রজাতন্ত্র বা সাধারণতন্ত্র দিবস”-এ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্র্যাক্টর মিছিল করে দিল্লি এসে পৌঁছবেন৷ প্রসঙ্গত বলা দরকার, প্রতি বছর ২৬শে জানুয়ারি দিল্লির রাজপথে এক বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়৷ থাকে বিভিন্ন রাজ্যের সুসজ্জিত ট্যাবলো-ও৷ স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকেই ভারতে এই প্রথা চলে আসছে৷ আজও সেই আয়োজনে কোনও ত্রুটি ছিল না৷ প্রতিবাদী কৃষকরা এই দিনটিকেই ট্র্যাক্টর মিছিলের মাধ্যমে তাঁদের বিক্ষোভ জানানোর জন্য নির্দ্ধারণ করেছিলেন৷ পুলিসও তাঁদের দাবি মেনে মোট ৩টি রাস্তা দিয়ে মিছিল করার অনুমতি দেয়৷ ঠিক হয়, বেলা ১২টার পরে সেই মিছিল শুরু হবে৷ কারণ, সকাল ৯টা থেকে দিল্লিতে সরকারী অনুষ্ঠান ও প্যারেড চলে৷
কিন্তু, পুলিসের সেই নির্দেশ উড়িয়ে দিয়ে, ভোর থেকেই হাজার হাজার প্রতিবাদী কৃষক সিংঘু সীমান্তে জমায়েত হতে থাকেন৷ একই দৃশ্য দেখা যায় পশ্চিম দিল্লির টিকরি সীমান্তেও৷ সকাল সাড়ে আটটা (ভারতীয় সময়) থেকেই প্রতিবাদী কৃষকরা তাঁদের মিছিল শুরু করে দেন৷ হাজার হাজার কৃষকের সামনে সীমিত সংখ্যক পুলিস তখন রীতিমত অসহায় বোধ করেন৷ পুলিস তাঁদের বারবার ধীরগতিতে এগোতে বললেও, সেসব কথায় কৃষকরা কর্ণপাত না করে, দ্রুতগতিতে এগোতে থাকেন৷ তবে, তাঁদের মিছিল শান্তিপূর্ণই ছিল৷
কিন্তু, দিল্লির “সঞ্জয় গান্ধী ট্রান্সপোর্ট নগর”-এর কাছাকাছি পৌঁছলে, পুলিস তাঁদের রেল গার্ড ও ব্যারিকেড দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করে৷ প্রতিবাদী কৃষকরা তখন সেই ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন৷ সঙ্গে সঙ্গে পুলিস ব্যাপক লাঠিচার্জ শুরু করে দেয়৷ কৃষক ও পুলিসের মধ্যে ধ্বস্তাধ্বস্তি হয়৷ কৃষকদের ছত্রভঙ্গ করতে ছোঁড়া হয় কাঁদানে গ্যাসও৷ এই ধুন্ধুমার কান্ডে দু’পক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত হন৷
এই ঘটনা ভবিষ্যতে আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে বলে, অনেকেই মনে করছেন৷

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com