বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
বিএনপি নেতাদের বক্তব্যে মনে হয় বেগম জিয়া কারাগারে থাকলেই ভালো হতো -তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি নেতাদের বক্তব্যে মনে হয় বেগম জিয়া কারাগারে থাকলেই ভালো হতো -তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০:

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বেগম জিয়ার প্রতি প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন তার প্রেক্ষিতে বিএনপি নেতাদের কথাবার্তায় মনে হয়, সাজাপ্রাপ্ত আসামী হিসেবে বেগম জিয়া কারাগারে থাকলেই ভালো হতো।’

বেলজিয়াম সফর থেকে ফিরে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তথ্যমন্ত্রী। বেগম খালেদা জিয়াকে গৃহে অন্তরীণ রাখা হয়েছে -বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন অভিযোগের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যকে হাস্যকর অভিহিত করে ড. হাছান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সিআরপিসি (দন্ডবিধি)-তে উল্লিখিত তার ক্ষমতাবলে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে প্রথমে ৬ মাস মুক্তি দিয়েছেন, পরে আরো ৬ মাস সেটি বর্ধিত করেছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের উচিত ছিল এই মহানুভবতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো, কৃতজ্ঞতা জানানো।

কারণ তিনি শাস্তিপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামী, তার তো কারাগারের ভেতরেই থাকার কথা ছিল, তিনি আদালত থেকে জামিন পাননি। কিন্তু তার পরিবর্তে তারা যেভাবে কথাবার্তা বলছেন, এতে মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন, এটি না দেখালেই ভালো হতো। ’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীনভাবে সাজাপ্রাপ্ত বেগম জিয়াকে মুক্তি দেবার পরও বিএনপি নেতাদের কথার কারণে জনগণের পক্ষ থেকে বেগম জিয়াকে আবার কারাগারে পাঠানো দাবি উঠতে পারে, এ শংকাও প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী।

এসময় বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর বক্তব্য ‘বিএনপি কখনো হত্যার রাজনীতি করেনা’- এ প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই তো বিএনপি’র উন্মেষ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই ক্ষমতা দখল এবং ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করেন।

এবং সেই ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য জিয়াউর রহমান হাজার হাজার সেনা সদস্য এবং আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল।’

বেগম খালেদা জিয়াও সেই হত্যার রাজনীতি অব্যাহত রেখেছিল উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার অনুমোদনক্রমে এবং তার পুত্র তারেক রহমানের পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হয়েছিল। এছাড়া জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সাথে যুক্ত ছিল। সুতরাং হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই যাদের উন্মেষ,

হত্যার রাজনীতিই যারা করে, পেট্রোল বোমা হামলা করে যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যার রাজনীতি করে, তাদের মুখে এ কথা মানায় না। বরং প্রকৃতপক্ষে হত্যার রাজনীতিই তাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।’

এসময় সাংবাদিকরা সদ্যপ্রয়াত আল্লামা শফী’র মৃত্যু এবং হাটহাজারী মাদ্রাসায় বিশৃঙ্খলা বিষয়ে প্রশ্ন করলে তথ্যমন্ত্রী মাওলানা শফীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং বলেন,

‘মাওলানা আহমদ শফীর জন্ম আমার নির্বাচনী এলাকার নিজের উপজেলায় এবং আমার পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নে। তিনি আলেমদের মধ্যে এবং ঐ অঞ্চলে কি পরিমাণ জনপ্রিয় ও সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন, সেটি তার জানাজা থেকে বোঝা যায়। হাটহাজারী মাদ্রাসার বিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠানটির আভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্তু সেটি যে মাদ্রাসার দীর্ঘদিনের মহাপরিচালকের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করে থাকবে, সেটিই স্বাভাবিক।’

এসময় হেফাজত-ই-ইসলামের ভবিষ্যত নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, এটি হেফাজতের আভ্যন্তরীণ বিষয়, এগুলো নিয়ে আমি কথা বলতে চাইনা।

সিনেমা হল খোলার বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সিনেমা হলগুলো খুলে দেয়ার জন্য সিনেমা হলের মালিক, সিনেমার পরিচালক, প্রযোজকদের পক্ষ থেকে দাবি আছে।

তাদের সাথে এ মাসের শুরুতে আমি বসেছিলাম। এ মাসের ১৫ তারিখের পরে বৈঠক করে আমাদের সিদ্ধান্ত নেবার কথা। খুব সহসাই তাদের সাথে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো।

মন্ত্রিপরিষদে রদবদল বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার, তিনি ছাড়া অন্য কেউ এ নিয়ে বলার ক্ষমতা রাখেন না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com