বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
আজ বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ রেহানার জন্মদিন

আজ বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ রেহানার জন্মদিন

সব সময়েই নেপথ্যে তিনি। রাজনীতিতে সরাসরি যুক্ত না হয়েও দেশের উন্নয়ন আর সমৃদ্ধির প্রশ্নে ছায়ার মতো আগলে রাখেন বড় বোনকে। তিনি শেখ রেহানা। জাতির পিতার হত্যার প্রতিবাদে আওয়াজ তুলেছিলেন বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যখন নির্মমভাবে হত্যা করা হয় তখন বিদেশে থাকায় বেঁচে যান তার দুই কন্যা। তাদেরই একজন শেখ রেহানা।

পিতাসহ পুরো পরিবারের অকাল প্রয়াণে দুই বোন দিনের পর দিন থেকেছেন ঠিকানাবিহীন, বিদেশের পথে-প্রান্তরে কিংবা পালিয়ে থাকা অন্দরে।

১৯৫৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জন্ম নেন শেখ রেহানা। ৭৫ এর পর নির্মম বাস্তবতায় সাজানো বাগান থেকে তাকে নামতে হয় বৈরি পৃথিবীর অনিশ্চিত পথে। সে সময় মিথ্যার রাজনীতি দেশে-বিদেশে। তখন ১৯৭৯ সালের ১০ মে লন্ডনে সর্ব ইউরোপীয় বাকশালের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনিই প্রথম পিতা ও জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচারের দাবি তোলেন।

রাজনীতি সচেতন শেখ রেহানা সরাসরি আসেননি পিতা কিংবা বড় বোনের মতো জনতার মঞ্চে। কিন্তু ছায়ার মতো আগলে রেখেছেন প্রতিটি ধাপে, প্রজ্ঞা ও সাহসিকতা নিয়ে। নির্বাসিত জীবনে ১৯৭৭ সালে তিনি বিয়ে করেন অধ্যাপক ড. শফিক আহমেদ সিদ্দিককে। সব হারিয়েও মহিয়সী এই নারী মমতার বাঁধনে পরিবার সামলে কাজ করেন দেশের জন্য।

জাতির পিতার কনিষ্ঠ কন্যা মানুষের সামনে সরাসরি না এলেও শেখ রেহানা এখনো প্রতিনিয়ত পরোক্ষ যুদ্ধে লিপ্ত, পিতার সোনার বাংলা গড়তে। সব হারিয়েও যিনি নিবেদিত প্রাণ হয়ে আছেন, অগণিত মুক্তিকামী মানুষের জন্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com