বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
লং মার্চ স্থগিতে জামায়াতকে শেহবাজের অনুরোধ আশুলিয়ায় কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৭ রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। ন্যাম ভবনে এমপির স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে উড়ছে বার্সা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের খলিলুর রহমান বাসে আগুন-ককটেল বিস্ফোরণে উত্তপ্ত রাজধানী রাজধানীর চার এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ থেকে পাভেল বাদ? মেট্রোরেলের ৩ প্রকল্প ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন
একটি হেলিকপ্টার বনাম ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্যবিধি

একটি হেলিকপ্টার বনাম ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্যবিধি

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব মো: দবিরুল ইসলাম। এরই মধ্যে গত চার দিন পূর্বে করোনার নমুনা দিলে গত রবিবার তার দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। তাই তার উন্নত চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

আজ দুপুরে বালিয়াডাঙ্গী সমির উদ্দীন স্মৃতি মহাবিদ্যালয় মাঠে হেলিকপ্টারটি অবতরন করে।

ঢাকায় পৌঁছানোর পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল কলেজে(পিজি হাসপাতালে) উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হবে বলে পারিবারিক সূত্রের খবর।

এদিকে হেলিকাপ্টার অবতরণের পর থেকেই সেই কলেজ মাঠের চারপাশে হাজারো জনতাকে লক্ষ্য করা গেছে। একজন নেতা মহামারিতে আক্রান্ত হলে ভক্ত বা অনুসারীদের মনে কালো ছাপ পড়বে চোখের কোনে জল গড়াবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু হেলিকাপ্টার অবতরনের পর বাস্তব চিত্রছিলো একটু ভিন্ন। উৎসুক জনতার জনসমুদ্র ছিলো পুরোটাই ভয়ংকর। ছিলোনা স্বাস্থ্যবিধির কোন বালাই। একটি হেলিকপ্টারের ছবি তুলতে ও উড়ন্ত হেলিকাপ্টারের ভিডিও ধারণ করতে দেখা গেছে এসব উৎসুক জনতাকে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন কিছু ভিডিও ছড়িয়েছে। যেখানে প্রিয় নেতাকে সু-স্বাস্থ্য কামনায় বিদায় নয় বরং একটি হেলিকপ্টারের ছবি মোবাইলের ফটো গ্যালারিতে রাখাটাই মুখ্য ছিলো তাদের কাছে। নিজের ও অন্যের সুরক্ষার কথা না ভেবে করোনার তোয়াক্কা না করে এমন ভাবে জনসমাগম করাটাকে অহেতুক বলে মনে করছেন সচেতনরা।

ঠাকুরগাঁওয়ের সচেতন মানুষরা বলছেন- ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য মো: দবিরুল ইসলাম একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি দির্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। এরই মধ্যে তার করোনা শনাক্ত হয়েছে। আমরা সবাই তার সুস্বাস্থ্য কামনা করি। কিন্তু ভুলে গেলে চলবেনা করোনা কোন মামলি রোগ নয়। এ করোনার জন্য গোটা বিশ্বের কিন্তু নাকাল অবস্থা।

বিশ্বের অনেক দেশের প্রেসিডেন্ট এমপি মন্ত্রীরা এই ভাইরাসের ভয়াল থাবার শিকার হয়েছেন। তারা বলেন, যখন তাকে হেলিকাপ্টার যোগে ঢাকায় নেওয়া হয় তখন উৎসুক জনতার মধ্যে কোন রকম কোন স্বাস্থ্যবিধি লক্ষ্য করা যায়নি। অনেকে হেলিকপ্টারের শুধু মাত্র একটি ছবি তোলার জন্য সেখানে ভির করেছেন। অনেকে অভিভাবক হেলিকাপ্টার দেখতে বাচ্চা নিয়ে এসেছেন। করোনা কালে এমন অবস্থা হলে করোনা প্রতিরোধের জন্য এত শ্রম যেনো রুপকথার গল্পই মনে হবে সচেতনদরে কাছে। এর জন্য প্রশাসনের আরও গুরুত্ব দিয়ে সেখানে নিরাপত্তার কথা ভাবা উচিৎ ছলো আগে থেকে।

সেই সাথে সচেতন মানুষরা বলছেন শুধু প্রশাসন নয় মানুষ নিজে থেকেও সচেতন হচ্ছেনা। তবে প্রশাসনের আগে থেকে কঠিন ব্যবস্থা গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করা উচিৎ ছিলো বলে দাবি করেন তারা।

এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জোবায়ের হোসেন বলেন, নিরাপত্তার সর্বাত্মক চেষ্টা আমরা করেছি। কিন্তু মানুষের কিউরিসিটি থেকে মানুষ এটা করেছে। যতটুকু নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহন করার আমরা করেছি। কিন্তু একটি হেলিকপ্টার দেখতে যে এতো মানুষ আসবে তা অকল্পনীয়। সে সময়ে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি সবকিছু সামলে নিতে।

উল্লেখ্য যে, হেলিকপ্টারে এমপি আলহাজ্ব দবিরুল ইসলামের সংগে আছেন তাঁর বড় ছেলে ঠাকুরগাও জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সুজন ও বড় মেয়ে মুক্তি ইসলাম।

এমপি দবিরুল ইসলামের বড় ছেলে সুজন গণমাধ্যমকে জানান, আমার বাবার বর্তমানে অবস্থা ভালো আছে। তিনি ঠিক আছেন। ঢাকায় নেওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে যদি কখনো স্বাস্থ্যের অবনতি হয় তাহলে তাৎক্ষনিকভাবে এখানে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ নেই।তাই প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ব্যবস্থায় আমার বাবাকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে।আপনারা সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


রাজধানীর ধানমন্ডি লেক থেকে জাভেদ নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডি ১০ নম্বর রোডের আবেশ হোটেলের পেছনের ব্রিজসংলগ্ন লেক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পানিতে ভাসতে থাকা মরদেহটি উদ্ধার করে লেকের কিনারায় নিয়ে আসা হয়। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে এসে তার স্ত্রী মরদেহ শনাক্ত করেন। জাভেদের বাড়ি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।



©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com