বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ডিআইজি পদে পুলিশের ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি
‘পাকিস্তানি এজেন্ট জিয়া, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না’

‘পাকিস্তানি এজেন্ট জিয়া, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না’

পাকিস্তানি এজেন্ট জিয়াউর রহমান কখনই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না। বরং স্বাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তানি ভাবধারার রাষ্ট্রে ফিরিয়ে নিতে নেপথ্যে থেকে যেমন ষড়যন্ত্র করেছে, ঠিক তেমনই সরাসরি নিজেও ষড়যন্ত্র করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপ-কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভার আলোচকরা।

তার বলেছেন: জিয়াউর রহমান নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করেন কিন্তু রণাঙ্গনে কোথাও তার সাহসীকতার বর্ণনা ইতিহাসে নেই।

বৃহস্পতিবার ১৫ আগস্টকে সামনে রেখে ‘১৫ই আগষ্টের নির্মম হত্যাকাণ্ড: নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। আলোচনা সভায উপস্থাপনা করেন আওয়ামী লীগের টানা দ্বিতীয় মেয়াদে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব থাকা দেলোয়ার হোসেন।

আলোচনা সভার শ্লোগান ছিলো: আসুন আইনের শাসন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বিবেকবোধ জাগ্রত করি। বঙ্গবন্ধু’সহ পনেরই আগষ্টের শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করি।

আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রভাবশালী সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন: স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে ভারত জুজু ভীতি দেখিয়ে একটি রাজনীতি শুরু হয়। এ সংকটটা ছিল প্রকট এবং বিরাট। এর নেপথ্যের নায়ক হিসেবে জিয়াউর রহমান ষড়যন্ত্রটা পাকাপোক্ত করেন। সেসময় মুক্তিযুদ্ধের শক্তির ভিতরেও ছিল একটি বিভেদ। জাতির পিতাকে হত্যায় সেটা কেউ কাজে লাগানো হয়েছে।১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের পর তাদের মুখোশ উন্মোচিত হয়। এটা পাকিস্তান বানানোর একটি ষড়যন্ত্র। সেই থেকে দীর্ঘ ২১ বছর এ ষড়যন্ত্র চলেছে।

১৫ আগস্টের ওই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ থেকে বিদেশে থাকায় সেদিন বেঁচে যান আমাদের নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তার বোন শেখ রেহেনা৷ জীবনের ঝুঁকিকে উপেক্ষা করে তিনি দেশে ফিরে তিনি আওয়ামী লীগের-ই শুধু দায়িত্ব নেননি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ফিরিয়ে এনেছেন। জিয়াউর রহমান এবং তার দোসরা আগের ২১ বছরে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুখে দিয়ে পাকিস্তানি ভাবধারার রাষ্ট্রে কায়েমের চেষ্টা চালিয়েছিলো সে ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের এ দায়িত্বশীল নেতা।

সেই সঙ্গে ৭৫-এ জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যার ঘটনায় জিয়াউর রহমানের নেপথ্য এবং সরাসরি ষড়যন্ত্রের নানা দিক ইতিহাসের আলোকে তুলে ধরেন তিনি৷

আলোচনায় অংশ নিয়ে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের টানা তিনবারের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন: বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড এবং বঙ্গবন্ধুর সরকারকে উৎখাতের জন্য যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাদেরকে জিয়াউর রহমান সব সময় উৎসাহ দিয়েছে, মদদ দিয়েছে। পচাত্তরের আত্মস্বীকৃত খুনিরা পরবর্তীতে নানা সময়ে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, জিয়াউর রহমান তাদের সব সময় বলেছেন; ”তোমরা যদি কিছু করতে পারো করো, আমি আছি- তবে ব্যর্থ হলে আমার নামটা নিও না”।

তিনি আরও বলেন: এভাবে নেপথ্যে থেকে ষড়যন্ত্রকারীদের উৎসাহ দিয়েছে এবং নিজেও ষড়যন্ত্র করেছেন জিয়াউর রহমান। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না। এটা আজ দিবালোকের মত সত্য। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন এবং নেপথ্যে থেকে কাজ করেছে, এটা দিবালোকের মত সত্য।

হানিফ অভিযোগ করেন: জিয়াউর রহমান ৭৫’র হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর সব থেকে বড় প্রমাণ তিনি খুনিদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছেন এবং পুরস্কৃত করেছে। জিয়াউর রহমান যদি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত না থাকতো, তাহলে খুনিরা পুরস্কৃত হতো না; রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেত না। জিয়াউর রহমান এই হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করে প্রমাণ করেছিলেন তাদের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা।

জিয়াউর রহমান নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করেন, কিন্তু ইতিহাসের কোথাও আমরা পাই নাই- তিনি রণাঙ্গনে কোনও সাহসী ভূমিকা পালন করেছে। জিয়াউর রহমান ছিলেন পাকিস্তানের একজন এজেন্ট। এটা তিনি তার কর্মকাণ্ডে প্রমাণ করেছে বলে অভিযোগ করেন হানিফ।

আলোচনা সভায় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন: সিনিয়র সাংবাদিক পার্থ চট্টোপাধ্যায়, লেখক ও সাংবাদিক আবেদ খান ভাষাতাত্ত্বিক ও শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর নাসরিন আহমেদ বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর হারুন-অর-রশিদ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com