শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ০৬:০৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাঁজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি

নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাঁজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি

ফাইল ছবি।
ফাইল ছবি।

ডেস্ক রিপোর্ট –

বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই রাজধানীতে সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের  বাজারমূল্য আগের তুলনায়  কিছুটা বেড়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্য কিছুটা অস্বস্তি বিরাজ করছে। বাজারে গিয়ে দেখা যায়, আগের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সবজি, চাল, ডাল, মুরগি ও ডিম।

আজ শুক্রবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার পরিদর্শনের মাধ্যমে এমন তথ্য পাওয়া যায়।

কাঁচাবাজারগুলোতে প্রতি কেজি ঢেঁড়শ ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৯০ টাকা, পটল ৬০-৭০ টাকা, টমেটো ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকা, আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঝিঙে ৬০ থেকে ৭০ টাকা,চিচিঙ্গা ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শাক-সবজির দাম কয়েক সপ্তাহ ধরে ঊর্ধ্বমুখী। ডিমের হালি ৪০-৪৫ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১৭০-১৮০ টাকা।

অন্যদিকে চালের দামও স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। মোটা চাল ৬০ টাকায়, মিনিকেট ৬৫ থেকে ৭০, এছাড়া বাকি সব চালের দাম সাধারণত ৭৫ থেকে ৮৫ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। এছাড়া, রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা দরে।

ক্রেতারা বলছেন, আমাদের আয় বাড়েনি বরং জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের মতে, সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি ও পাইকারি বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় খুচরায় দাম বাড়ানো হয়েছে।

এছাড়া মাছেও কিছুটা বাড়তি দাম লক্ষ্য করা গেছে। তবে ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া। প্রতি কেজি ইলিশ মাছ ২২০০ থেকে ৩২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রুইকাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা, চিংড়ি ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা, পাঙ্গাশ-তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com