1. tanvirinternational2727@gmail.com : NewsDesk :
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পুলিশ উদ্ধার করল বিকাশে খোয়া যাওয়া টাকা ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরতে হবে’ কুবিতে ‘ছায়া জাতিসংঘ সংস্থা’র নতুন কমিটি গঠন আত্রাই ছোট নদীতে বালু উত্তোলন অব্যাহত প্রশাসন নীরব সুনামগঞ্জে সেতু নির্মাণের দাবীতে অর্ধ শতাধিক গ্রামের মানুষের মানববন্ধন গাইবান্ধায় জুয়া খেলার টাকা না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ নওগাঁয় ফেন্সিডিল সহ যুবকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ নালিতাবাড়ীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বাল্যবিবাহ বন্ধ বরের তিন মাসের জেল বাংলাদেশ ছাএলীগ জামালপুর শহর শাখার বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত খুলছে শাহাজালাল ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল , বাড়ানো হবে নিরাপত্তা-নজরদারি

পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই ১৫ আগস্ট এই হত্যাকাণ্ড

  • সময় : মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১
  • ২৫

ডেস্ক নিউজ:


মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ছাত্রলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, এখনো যুদ্ধাপরাধী, পরাজিত শক্তি এবং ১৫ আগস্টের খুনি তারা তো বটেই; তাদের ছেলেপেলে যারা এবং যুদ্ধাপরাধী যাদের ফাঁসি হয়েছে তাদেরও ছেলেপেলে বা দোসর যারা তারা কিন্তু এখনো বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে, ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। যেসব আন্তর্জাতিক শক্তি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিরোধিতা করেছিল তাদের কিছু কিছু এদেরকে মদদ দিয়ে থাকে। কাজেই এই ব্যাপারে জাতিকে সতর্ক থাকতে হবে।

৭৫-পরবর্তী পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সময় যারা স্থানীয় দালালচক্র, যারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দোসর তারা কোনোদিন চায়নি বাংলাদেশ স্বাধীন হোক। তারপরও যখন বাংলাদেশ স্বাধীন হলো, বিজয় অর্জন করল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরাজিত হলো। তখন সেই পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই ১৫ আগস্ট এই হত্যাকাণ্ড তারা চালিয়েছিল। এরপরে বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নামটা সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়েছিল।

তিনি বলেন, জয় বাংলা স্লোগান, যে স্লোগান দিয়ে লাখো শহীদ রক্ত দিয়েছেন সেই স্লোগান নিষিদ্ধ করা হলো। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের সবকিছু ধ্বংস করা হয়েছিল। ভাবখানা এমন হয়েছিল যে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি। আবার যেন সেই পাকিস্তানের একটা প্রদেশ হিসেবে বাংলাদেশ সৃষ্ট এবং সেই পাকিস্তান এসে আবার আমাদের ওপর খবরদারি করবে এটাই যেন অনেকের আকাঙ্ক্ষা ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পঁচাত্তরের পরে যারা সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্রের মধ্যদিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেখানে আমাদের দলেরও কিছু বেঈমান, মোনাফেক, মীরজাফর ছিল। যেমন খন্দকার মোশতাক গং। আর তার শক্তিটা ছিল জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে একটা সেক্টর কমান্ডার কিন্তু সে কখনো পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গুলি চালিয়েছে এ রকম কিন্তু নজির নেই। এ রকম কোনো নজির কেউ দেখাতে পারবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের অন্যান্য খবর
©বাংলাদেশবুলেটিন২৪