বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
হাজারের বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড 

হাজারের বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড 

পিরোজপুর সংবাদদাতা

পিরোজপুরের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় আতঙ্কে রয়েছেন সেখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বাসিন্দারা। তালিকায় রয়েছেন পুরাতন ডিসি অফিস, পুলিশ লাইনসের কিছু ভবন ও হাসপাতালের মতো জনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।

পিরোজপুর দেড় শতাধিক বছরের পুরানো একটি মহাকুমা, যা ১৯৮৬ সালে জেলায় উন্নীত হয়। ফলে এ জেলার অধিকাংশ সরকারি ভবনই পুরানো। আর এসব ভবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ঝুঁকিপূর্ণ। পিরোজপুর শহরের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে পুরাতন ডিসি অফিস। অনেক পুরাতন ও স্থান সংকুলান না হওয়ায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু বর্তমানে এ ভবনে দুটি সরকারি অফিসসহ প্রায় সবগুলো কক্ষই ভাড়া দেওয়া আছে। এ তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে না হাসপাতালও। রয়েছে পুলিশ লাইনসের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিসের ভবন।

মূল শহরের ক্লাব রোডের গোপাল কৃষ্ণ টাউনক্লাব মার্কেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভবনও রয়েছে এই তালিকায়। ৮ বছর আগে উত্তরা ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংককে এ ভবন থেকে সরিয়ে নেওয়া হলেও এখনো এসব ভবনে বহাল তবিয়তে চলছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও দাপ্তরিক কার্যক্রম। ভাড়ার টাকা অগ্রিম জমা থাকায় মুখ খুলছেন না এখানকার ব্যবসায়ীরা। 

গোপালকৃষ্ণ টাউন ক্লাবের ব্যবসায়ী প্রশান্ত ঘরামি বলেন, আমি এই গোপাল কৃষ্ণ টাউন ক্লাব মার্কেটে ৩০ বছর ব্যবসা করছি। ৮ বছর আগে ভবনে ফাটল দেখা দেওয়ায় দুটি ব্যাংক এখান থেকে চলে গেছে। কিন্তু আমরা ব্যবসা করছি। বিভিন্ন সমস্যার কারণে আমরা এখানে রয়ে গেছি। আমরা যেতে পারিনি। তবে আমরা এখানে আতঙ্ক নিয়েই ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করছি।

পুরাতন ডিসি অফিসের একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেন আব্দুল আলীম। তিনি বলেন, আতঙ্ক সন্দেহ সংশয় ভয়ভীতি নিয়েই আমরা পুরাতন ডিসি অফিসে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছি। কারণ আমরা নিরুপায়। কপালে যা আছে তাই হবে।

পিরোজপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এস. এম. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, যেগুলো মেরামতে ঝুঁকিমুক্ত করা সম্ভব সেগুলোর ব্যাপারে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। মেরামতের মাধ্যমে ঝুঁকিমুক্ত করা যায় কিনা দেখব। বাকি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে বিভিন্ন দপ্তর অপসারণের প্রক্রিয়া চলছে। পর্যায়ক্রমে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে অপসারণ করা হবে এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো ভেঙে ফেলা হবে।

গণপূর্ত বিভাগের দেওয়া তথ্য মতে পিরোজপুর জেলায় সরকারি-বেসরকারিসহ প্রায় এক হাজার ভবন ঝুঁকিপূর্ণের তালিকায় রয়েছে।  

বা বু ম / এস আর

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com