মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
খায়রুল কবিরসহ ৭২ নেতাকর্মীর নামে মামলা

খায়রুল কবিরসহ ৭২ নেতাকর্মীর নামে মামলা

ডেস্ক নিউজ:

নরসিংদীতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবিরসহ তিন শতাধিক নেতা-কর্মী দলীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ থাকার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নরসিংদী মডেল থানায় বিএনপির ৭২ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করে মামলাটি করা হয়। নরসিংদী মডেল থানার উপপরিদর্শক আব্দুল আলীম বাদী হয়ে করা এই মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবিরকে ৭ নম্বর আসামি করা হয়েছে।সোমবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সদর উপজেলার চিনিশপুরে জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সমাবেশে অংশ নিতে আসা তিন শতাধিক বিএনপির নেতাকর্মী বিকেল ৪টা থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাড়ে ৬ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ থাকার পর পুলিশের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পেয়ে এক এক করে বেরিয়ে যান। ওই সময় খায়রুল কবির তার গাড়িতে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে নরসিংদী ছাড়েন।

জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা বলছেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। বেলা ৩টার দিকে চিনিশপুরে জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ের ভেতরে প্যান্ডেল করে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়। পাঁচ শতাধিক দলীয় নেতা-কর্মী এই বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেন। বিকেল ৫টার দিকে জেলা পুলিশের একদল সদস্য সেখানে হাজির হয়ে বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে আটক করে নিয়ে যায়। পরে গ্রেপ্তারের ভয়ে দলীয় নেতা-কর্মীরা কার্যালয়ের গেট ভেতর থেকে তালাবদ্ধ করে রাখেন। এরপরই বাইরে থেকে পুলিশ কার্যালয়টি ঘিরে রেখেছে। কেউ বের হতে গেলেই তাঁকে আটক করা হচ্ছে। ওই সময় কার্যালয়টির দুই পাশের সড়কে খণ্ড খণ্ড দলে ভাগ হয়ে শতাধিক পুলিশ সদস্য অবস্থান করছিলেন।

অবরুদ্ধ হয়ে থাকা নেতাদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, সহসভাপতি দীন মোহাম্মদ, যুগ্ম সম্পাদক আকবর হোসেন, শহর বিএনপির সভাপতি এ কে এম গোলাম কবির, সাধারণ সম্পাদক ফারুক উদ্দিন ভূঁইয়া, জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আমিনুল হক, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোকাররম ভূঁইয়া, হাজীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।

অন্যদিকে নরসিংদী মডেল থানার পুলিশ বলছেন, সোমবার (২২ নভেম্বর) বিকেল থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা নরসিংদী সদরের চিনিশপুর এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে দলীয় অনুষ্ঠান করছিল। পুলিশ তাদেরকে রাস্তা থেকে সরে যেতে বললে তারা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুড়ে এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় ইটের আঘাতে আবু সাইদ ও সবুজ মিয়া নামে দুজন পুলিশ সদস্য আহত হয়। এই ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে পালানোর সময় ৬ জনকে আটক করে পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বেশকিছু ইটের টুকরো, লাঠি ও বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়। এসব ঘটনায় নরসিংদী মডেল থানার উপপরিদর্শক আবআদুল আলীম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির আরটিভি নিউজকে বলেন, একটি স্বাধীন দেশে রাজনৈতিক দলের কর্মী হিসেবে সভা-সমাবেশ করা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। অথচ এই অধিকারটুকুও তারা আমাদের দিতে চান না। গতকাল দলীয় কার্যালয়েরই ভেতরেই শান্তিপূর্ণ সমাবেশ চলাকালীন বিনা কারণে ও বিনা উসকানিতে পুলিশ বেশ কয়েকজনকে আটক করে আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। ওই সময় যারাই বের হতে চেয়েছেন। তাদেরই আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) আবার আমাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলাও দিয়েছে। এভাবে একের পর এক আমাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করে তারা আমাদের থামিয়ে দিতে চান।

এ বিষয়ে নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সওগাতুল আলম আরটিভি নিউজকে জানান, পুলিশি কাজে বাধা সৃষ্টি, ইটপাটকেল ছুড়ে পুলিশকে আক্রমণ ও ভাঙচুরের অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে। এই মামলায় ৭২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৫০-২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। ওই ঘটনায় আটক ৬ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com