শুক্রবার, ১২ Jun ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১০৭ জন রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত
গৌরীপুরে এক বছরেও আত্মসাৎকৃত চালের তদন্ত শেষ হয়নি!

গৌরীপুরে এক বছরেও আত্মসাৎকৃত চালের তদন্ত শেষ হয়নি!


ওবায়দুর রহমান, উপজেলা প্রতিনিধি, গৌরীপুর, ময়মনসিংহ:

 
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে সরকারের দরিদ্রদের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর মাওহা ইউনিয়নে তিন ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতির ও চাল আত্মসাতের তদন্ত অজ্ঞাত কারনে এক বছরেও সম্পন্ন হয়নি। এদিকে তদন্ত সম্পন্ন না করে বিতর্কিত ডিলারদের মাধ্যমে চলছে এ কর্মসূচীর চাল বিক্রি কর্মসূচী। বর্তমানে তদন্ত কমিটির ভূমিকা নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
উপজেলার মাওহা ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ডিলার আজিজুল হক ইনসান, আব্দুল জব্বার ও মাসুদ করিম রুবেল মিয়া প্রায় দু’শতাধিক সুবিধাভোগীর চাল ৪ বছর ধরে আত্মসাতের মাধ্যমে কালোবাজারে বিক্রি করে আসছিলেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বছর ২০ এপ্রিল ভূটিয়ারকোনা বাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ী ফজলু মুন্সীর ঘর থেকে ৩ হাজার ৩৫০ কেজি চাল ও আজহারুলের ঘর থেকে ১ হাজার ২৫০ কেজি চাল জব্দ করে গৌরীপুর থানার পুলিশ। এ ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেন। এ মামলায় আজহারুলকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছিলো পুলিশ।
এদিকে তালিকায় নাম থাকলেও ৪ বছর ধরে চাল না পেয়ে তৎকালীন জেলা প্রশাসক বরাবর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে লিখিত অভিযাগ করেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাশার (এক অভিযোগপত্রে ১০৯ জন (স্বার ৯২ জনের) ও দ্বিতীয় অভিযোগপত্রে ৪২ জন সুবিধাভোগী অভিযোগ করেছিলেন)। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নন্দন দেবনাথকে প্রধান করে ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এক বছর অতিবাহিত হলেও অজ্ঞাত কারনে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেনি এ কমিটি। এদিকে অভিযোগ করার কারনে তাদের নাম নতুন তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নন্দন কুমার দেবনাথ সাংবাদিকদের জানান, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ডিলাররা তদন্ত কাজে সহযোগিতা ও চাহিদা মতো তথ্য না পাওয়ায় তদন্ত কাজ শেষ করা যাচ্ছে না। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com