বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা ডিআইজি পদে পুলিশের ৩৩ পুলিশ কর্মকর্তার পদোন্নতি
গৌরীপুরে এক বছরেও আত্মসাৎকৃত চালের তদন্ত শেষ হয়নি!

গৌরীপুরে এক বছরেও আত্মসাৎকৃত চালের তদন্ত শেষ হয়নি!


ওবায়দুর রহমান, উপজেলা প্রতিনিধি, গৌরীপুর, ময়মনসিংহ:

 
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে সরকারের দরিদ্রদের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর মাওহা ইউনিয়নে তিন ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতির ও চাল আত্মসাতের তদন্ত অজ্ঞাত কারনে এক বছরেও সম্পন্ন হয়নি। এদিকে তদন্ত সম্পন্ন না করে বিতর্কিত ডিলারদের মাধ্যমে চলছে এ কর্মসূচীর চাল বিক্রি কর্মসূচী। বর্তমানে তদন্ত কমিটির ভূমিকা নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
উপজেলার মাওহা ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ডিলার আজিজুল হক ইনসান, আব্দুল জব্বার ও মাসুদ করিম রুবেল মিয়া প্রায় দু’শতাধিক সুবিধাভোগীর চাল ৪ বছর ধরে আত্মসাতের মাধ্যমে কালোবাজারে বিক্রি করে আসছিলেন। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বছর ২০ এপ্রিল ভূটিয়ারকোনা বাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ী ফজলু মুন্সীর ঘর থেকে ৩ হাজার ৩৫০ কেজি চাল ও আজহারুলের ঘর থেকে ১ হাজার ২৫০ কেজি চাল জব্দ করে গৌরীপুর থানার পুলিশ। এ ঘটনায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকার বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেন। এ মামলায় আজহারুলকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছিলো পুলিশ।
এদিকে তালিকায় নাম থাকলেও ৪ বছর ধরে চাল না পেয়ে তৎকালীন জেলা প্রশাসক বরাবর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে লিখিত অভিযাগ করেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাশার (এক অভিযোগপত্রে ১০৯ জন (স্বার ৯২ জনের) ও দ্বিতীয় অভিযোগপত্রে ৪২ জন সুবিধাভোগী অভিযোগ করেছিলেন)। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নন্দন দেবনাথকে প্রধান করে ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এক বছর অতিবাহিত হলেও অজ্ঞাত কারনে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেনি এ কমিটি। এদিকে অভিযোগ করার কারনে তাদের নাম নতুন তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নন্দন কুমার দেবনাথ সাংবাদিকদের জানান, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ডিলাররা তদন্ত কাজে সহযোগিতা ও চাহিদা মতো তথ্য না পাওয়ায় তদন্ত কাজ শেষ করা যাচ্ছে না। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com