বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
৭ লাখ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে

৭ লাখ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে

ডেস্ক নিউজঃ

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কবল থেকে বাঁচতে উপকূলীয় ১৫ জেলার প্রায় ৭ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দুর্গম এলাকায় আটকেপড়াদের উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয় সেনা, নৌ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা। সারাদেশে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি তদারক করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে এবং পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

আবহাওয়া অফিসের আগাম সতর্কতা অনুযায়ী দেশের উপকূলীয় ১৫ জেলার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে সোমবার সকাল থেকেই কাজ শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন। বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আসার জন্য আহবান জানানো হয়। ঝড় বৃষ্টি উপক্ষো করে দুর্গম ও চরাঞ্চলের মানুষদের সন্ধ্যার আগেই বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসেন সেনাবাহিনী এবং নৌ বাহিনী ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা।

এসব এলাকায় প্রায় ৭ হাজার আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়। যেগুলোতে আশ্রয় নেয় ৭ লাখেরও বেশী মানুষ। অনেকে গবাদী পশুসহ আশ্রয় নেয় আশ্রয়ন কেন্দ্রে। তাদেরকে রান্না করা ও শুকনো খাবার দেয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। 

ঘুর্ণিঝড় মোকাবেলায় উপকূলীয় বিভিন্ন জেলায় দরকারি ওষুধ, বিশুদ্ধ পানি, ও ঝড় পরবর্তি সময়ে সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকসহ মেডিকেল টিমও।

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় কেন্দ্র খোলায় পরবর্তি নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়।

সিত্রাংয়ের প্রভাবে সমুদ্র ও নদী উত্তাল থাকায় সারাদেশে সব ধরনের নৌযান চলাচল সোমবার সকাল থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত মোংলা, পায়রা ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে পণ্য ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়েছে। 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com