বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
রংপুরে বছরে ‘৫০ হাজার টন’ খাদ্যশস্য উৎপাদন বেড়েছে

রংপুরে বছরে ‘৫০ হাজার টন’ খাদ্যশস্য উৎপাদন বেড়েছে

রংপুর সংবাদদাত

রংপুর জেলায় ২০১৯ সালে সেচ সম্প্রসারণ (ইআইআর) প্রকল্প হাতে নেয় বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। প্রকল্পের আওতায় জেলায় ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বোচ্চ ব্যবহার ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা হয়। এছাড়া নদী ও খাল-বিল পুনঃখনন করে জলাবদ্ধতা দূর করা হয়। এর সুফ+ল মিলেছে খাদ্যশস্য উৎপাদনে। ফলে জেলায় এখন আগের চেয়ে বছরে ৫০ হাজার মেট্রিকটন খাদ্যশস্য উৎপাদন হচ্ছে; যার বাজারমূল্য ১২৫ কোটি টাকা।

শনিবার (২৪ জুন) দুপুরে রংপুর নগরীর আরডিআরএস বেগম রোকেয়া মিলনায়তনে এক সভায় এসব জানান বিএমডিএর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ইআইআর প্রকল্প পরিচালক হাবিবুর রহমান খান। ইআইআর প্রকল্পের কার্যক্রম অবহিত করতে এই সভার আয়োজন করে বিএমডিএ।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রংপুরের জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এডব্লিউএম রায়হান শাহ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুরের অতিরিক্ত পরিচালক শামীমুর রহমান। আরও বক্তব্য দেন রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কৃষক, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা। সঞ্চালনা করেন বিএমডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী একেএম মশিউর রহমান।

হাবিবুর রহমান খান জানান, রংপুরে ইআইআর প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৯ সালে। এরপর থেকে জেলার ১২০ কিলোমিটার খাল, ৬টি বিল, ৫০টি পুকুর পুনঃখনন করা হয়েছে। নদী ও খালে ৪টি ক্রসড্যাম, ৫টি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। সেচের জন্য ৬৫টি বিদ্যুৎ চালিত এবং ৩০টি সৌরচালিত সেচযন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি সেচযন্ত্রের সঙ্গে দেড় কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বারিক পাইপ মাটির নিচ দিয়ে বসানো হয়েছে। এতে করে কৃষকের পানি ও ভূমির অপচয় রোধ হচ্ছে।

তিনি জানান, পুনঃখনন করা খালের দুই পাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে সম্পূরক সেচ, হাঁস চাষ, মাছ চাষ ও পাট পঁচানোসহ বিভিন্ন গৃহস্থলির কাজ হচ্ছে। নদী-খাল খননের ফলে পানি নিষ্কাশনের সুযোগ তৈরি হয়। এতে ১০ হাজার হেক্টর জলাবদ্ধ জমিতে এখন একাধিক ফসল চাষের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে বছরে ৫০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য উৎপাদন হচ্ছে। যার বাজারমূল্য ১২৫ কোটি টাকা। এছাড়া নদী, খাল-বিলের দুধারে ১ লাখ ৪৮ হাজার ফলদ, বনজ, ওষুধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছের চারা লাগানো হয়েছে। ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরে আসায় এসব এলাকায় পাখ-পাখালির মেলা বসছে। এছাড়া নদী ও খালের দুপাড়ে স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে নেপিয়ার ঘাস, কলা ও বিভিন্ন ধান-শাকসবজি চাষ করছেন।

জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন বলেন, ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বোচ্চ ব্যবহারের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন। ইআইআর প্রকল্প তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। এটি আমাদের কৃষি, পরিবেশসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে নদী-খাল-বিল খননে ভূমি নিয়ে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে। স্থানীয় অধিবাসী, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষের সমন্বয়ে এসব সমস্যা নিরসন করতে হবে। নদী-খাল-বিলে প্রাণ ফেরাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।

বা বু ম / অ জি

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com