বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন: ২৯৯ আসনে ভোট, সব প্রস্তুতি শেষ ইসির স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনবান্ধব রাজশাহী মহানগর গড়ে তোলা হবে-মিনু খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ডেসকো জিয়া পরিষদের বিশেষ দোয়া মাহফিল স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে  আলোকচিত্র প্রদর্শনী “ আনটোল্ড” অনুষ্ঠিত আনিনুল হক’কে ঢাকা-১৬ আসন উপহারের ঘোষনা বুলবুল হক মল্লিকে’র বোয়ালমারীতে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা, এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা
ভারী বর্ষন ও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত!

ভারী বর্ষন ও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত!

সমুদ্রে সৃষ্ট লঘু চাপে টানা বর্ষন সাথে আমবস্যার জোয়ারের পানিতে প্লাবিত পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার
নিম্নাঞ্চল। বৈরী আবহাওয়ায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও সড়ক ডুবে মানুষ চলাচলে চরম ভোগান্তিত। সাগর বেষ্টিত এ উপজেলা থেকে নৌ-পথে জেলা শহরে যাতায়াতের প্রধান ও একমাত্র মাধ্যম স্পীড বোড এবং ফিটনেস বিহীন অনুন্নত ছোট ছোট লঞ্চ /ট্রলার।

যাতায়াতের একটি মাত্র পথ তাও পানিতে ডুবে আছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, গত কয়েকদিন টানা বৃষ্টিপাত ও অমাবস্যার কারণে জোয়ারের পানি আগুনমুখা’য় স্বাভাবিকের তুলনায় ২.৫-৩ মিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে উপকূলীয় অঞ্চল চর-ইমারশন,চর-নজির চর-আন্ডা প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় চর-ইমারশন গ্রামের রফিক প্যাদা বলেন, ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে আগুনমুখা নদী সংলগ্ন চর গুলো তলীয়ে(ডুবে)গেছে।বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়ী বাঁধের বাহিরে বসবাসরত মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। তিনি আরো জানান, এখানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়ীবাঁধ না থাকায় জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পেলে আমরা ডুবে যাই।

এ সংকট যেন চিরস্থায়ী। তাছাড়া এখানে সাইক্লোন শেল্টার নেই। সল্প পরিসরে বেড়ীবাঁধ থাকলেও স্থানীয় প্রভাবশালীরা দখল করে মৎস্য ঘেরে পানি উঠা নামার সুবিধার্থে কালভার্ট নির্মাণ করে ব্যবহার করছে।

বন্যার আশংকা হলে আমাদের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে বেচেঁ থাকতে হয় বলেও তারা জানান। সার্বিক বিষয়ে কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম বলেন, টানা বর্ষণ ও আমবস্যায় স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

তবে কোনো বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করেনি।স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রী ও পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো)কাছে আসু সমাধান ওপ্রতিকার চায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com