সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রচারেই প্রসার, প্রতিষ্ঠানের জন্য বিজ্ঞাপন দিন, যোগাযোগঃ 01764934214 ঠিকানাঃ ৮৯, কাকরাইল, গ্রীন সিটি এজ, ১১ তলা, ঢাকা-১২১৫, মোবাইল:01764934214, 01716035712 ইমেইল:newsroom@bangladeshbulletin.com
শিরোনাম :
ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে সংকট, ফিফা সভাপতির দৌড়ে ভিক্টর মন্তাগ্লিয়ানি আলোচনায় রাশিয়াজুড়ে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, নিহত ৬ ইয়েমেন উপকূলে হামলায় ডুবল ভারতীয় পণ্যবাহী জাহাজ আলস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে এমএসসি অর্জন করলেন সোনিয়া আহমেদ ইশিকা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১০৭ জন রামিসা হত্যা মামলায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর আজ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সহিংসতা ও গুজব বরদাশত করা হবে না: জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস
জবিতে অস্থায়ী হল নির্মাণের প্রস্তুতি, কর্মচারীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ

জবিতে অস্থায়ী হল নির্মাণের প্রস্তুতি, কর্মচারীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত দুটি ভবন—বাণী ভবন ও ড. হাবিবুর রহমান হল থেকে বসবাসরত কর্মচারীদের ১৫ জুনের মধ্যে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অচিরেই ওই স্থানে শিক্ষার্থীদের জন্য অস্থায়ী আবাসিক হল নির্মাণের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তার স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশে বলা হয়েছে, নির্মাণকাজ নির্বিঘ্ন রাখতে উল্লিখিত ভবন দুটি খালি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আগামী ঈদুল আজহার ছুটির পরপরই ভবন ভাঙা ও পাইলিংয়ের মাধ্যমে অস্থায়ী হল নির্মাণকাজ শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট সাময়িকভাবে দূর করতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

নোটিশ ইস্যুকারী রেজিস্ট্রার অফিসের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. শহীদুল্লাহ বলেন, ‘রেজিস্ট্রার স্যারের নির্দেশেই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ঈদের পরপরই কাজ শুরু হবে, তাই আগেভাগেই তাদের সরতে বলা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘তারা আনঅফিশিয়ালি ওই হলগুলোতে থাকছেন। অনেক বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনই তাদের থাকার অনুমতি দিয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল, কেউ না থাকলে ভবনগুলো বেদখলের শিকার হতে পারে। এখন যেহেতু নির্মাণকাজ শুরু হবে, তাই নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে যেন তারা প্রস্তুতি নিতে পারেন।’

প্রয়োজনে মানবিক বিবেচনায় হল ছাড়ার সময়সীমা আরো ৫ দিন বাড়ানো হতে পারে বলেও জানান তিনি। ‘উপাচার্য স্যারের অনুমতি পেলে কাজ শুরুর পরও সামান্য সময় বাড়িয়ে দেওয়া হতে পারে,’ বলেন শহীদুল্লাহ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com