বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মেট্রোরেলের ৩ প্রকল্প ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন “র‍্যাবের অধ্যায় শেষ, যাত্রা শুরু এসআরবির” মেসির বিদায়ের সুর, নতুনদের নিয়ে আর্জেন্টিনার নতুন অধ্যায় “মধুমতির ভাঙনে আতঙ্ক, স্থায়ী বাঁধের দাবিতে মানববন্ধন” মহাখালীতে রঙের দোকানে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ বজ্রপাতে বিদ্যুৎমন্ত্রীর বাসার গ্যাস লাইনে আগুন টুঙ্গিপাড়ায় শিক্ষককে ঘিরে ছাত্রীদের কুপ্রস্তাবের অভিযোগ, শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত এমবাপ্পে-ভালভার্দের গোলে ইন্টারকে হারিয়ে রিয়ালের শুভসূচনা রূপপুর প্রকল্পে আগুন, দীর্ঘ সময়েও ফেরেনি বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট
মুক্তিযোদ্ধাকালীন সাহায্য তহবিলে অনুদান দিতেন উত্তম কুমার

মুক্তিযোদ্ধাকালীন সাহায্য তহবিলে অনুদান দিতেন উত্তম কুমার

চলচ্চিত্রের শত ব্যস্ততার মধ্যেও উপমহাদেশের কিংবদন্তি নায়ক উত্তম কুমার দাঁড়িয়েছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে। তিনি সব সময় মুক্তিযুদ্ধের খোঁজ-খবর রাখতেন। বাংলাদেশের শরণার্থীদের দুর্দশার কাহিনি শুনে ভীষণ বেদনার্ত হতেন চলচ্চিত্রের এই মহানায়ক।মুক্তিযোদ্ধা সহায়ক তহবিলে অনুদান দিতেন।উত্তম কুমারের পূর্ব পুরুষদের আদিবাস যশোরে।যশোর থেকে তাদের পূর্বপুরুষরা প্রথম বসতি স্থাপন করে ২৪পরগনা জেলার বারাসাতে।তারপর কলকাতায়।উত্তম কুমারের জন্ম ১৯২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ভবানীপুরের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে। পারিবারিক নাম অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায়।কলকাতা বন্দরে কেরানির চাকরি নিয়েছিলেন।কিন্তু ছোট থেকে নিজেকে বড়পর্দায়ই দেখতে চেয়েছিলেন অরুণ।সেই হাতছানিতে সাড়া দিয়েই অবশেষে স্টুডিও পাড়ায় পা রাখেন ভবানীপুরের অরুণ।পরে নাম বদলে হন উত্তম কুমার।প্রথম ছবি ‘মায়াডোর’ মুক্তি না পেলেও দমে যাননি উত্তম।পরপর আরও বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। কিন্তু একটিও চলেনি।শেষপর্যন্ত ‘বসু পরিবার’ থেকেই প্রথম সাফল্যের স্বাদ পেতে শুরু করেন উত্তম কুমার।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




©বাংলাদেশবুলেটিন২৪
Design & Developed BY ThemesBazar.Com